l189-এ বিনোদন ও আনন্দের সাথে দায়িত্ববোধ সমান গুরুত্বপূর্ণ। গেমিং যখন নিছক মজার বিষয় থেকে বের হয়ে অভ্যাসে পরিণত হয়, তখন সতর্ক হওয়াটা জরুরি। এই পেজে আমরা আপনাকে দায়িত্বশীল খেলার সকল টুলস, কৌশল ও সম্পদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব।
দায়িত্বশীল খেলা (Responsible Gaming) মানে শুধু কম খেলা নয়। এর মানে হলো এমনভাবে গেম উপভোগ করা যাতে এটি আপনার জীবনের অন্যান্য দিক — পরিবার, কাজ, অর্থনীতি, মানসিক স্বাস্থ্য — কোনোটির উপরেই নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। l189 বিশ্বাস করে যে প্রতিটি খেলোয়াড় যখন সচেতন সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলেন, তখনই সবচেয়ে আনন্দময় অভিজ্ঞতা তৈরি হয়।
অনলাইন গেমিং মূলত বিনোদনের একটি মাধ্যম। যখন কেউ দায়িত্বশীলভাবে খেলেন, তখন তিনি জানেন কতটুকু সময় ও অর্থ ব্যয় করা উচিত, কখন বিরতি নেওয়া জরুরি এবং কখন সাহায্য চাওয়া দরকার। l189-এ আমরা শুরু থেকেই এই সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই।
গেমিং থেকে জেতার আশা রাখা স্বাভাবিক, কিন্তু মনে রাখা দরকার — প্রতিটি গেমেই সম্ভাবনা থাকে জেতার পাশাপাশি হারারও। তাই আগে থেকে সীমা ঠিক করে নেওয়া, বাজেট বানানো এবং সেই বাজেটের বাইরে না যাওয়াটাই হলো দায়িত্বশীল গেমিংয়ের মূল ভিত্তি।
গেমিং আসক্তি সাধারণত ধীরে ধীরে তৈরি হয়। প্রথমে সামান্য বেশি সময় ব্যয় করা থেকে শুরু হয়ে একসময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নিচের সংকেতগুলো লক্ষ্য করলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হওয়া দরকার।
| সংকেত | মাত্রা | করণীয় |
|---|---|---|
| মাঝেমধ্যে বাজেটের বাইরে যাওয়া | সতর্কতা | সীমা পুনর্নির্ধারণ করুন |
| হার পুষিয়ে নিতে বারবার খেলা | সতর্কতা | বিরতি নিন, সাপোর্টে যোগাযোগ করুন |
| পরিবার বা কাজ ফেলে গেম খেলা | বিপদজনক | স্ব-বর্জন চালু করুন |
| গেমিং নিয়ে মিথ্যা বলা বা লুকানো | বিপদজনক | পেশাদার সাহায্য নিন |
| মাঝে মাঝে সীমা মেনে খেলা | নিরাপদ | এভাবে চালিয়ে যান |
| ঋণ করে বা সঞ্চয় ভেঙে বাজি ধরা | বিপদজনক | অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ করুন |
উপরের যেকোনো বিপদজনক সংকেত নিজের মধ্যে দেখলে দেরি না করে l189-এর দায়িত্বশীল গেমিং সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। আমরা বিচার করি না, শুধু সাহায্য করতে চাই।
নিচের প্রশ্নগুলো সৎভাবে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। যদি ৩টির বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে কথা বলুন।
আমরা চাই আপনি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকুন। তাই l189-এ রয়েছে বেশ কিছু শক্তিশালী টুল যা আপনাকে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সর্বোচ্চ সীমা নিজেই ঠিক করুন। একবার সীমা নির্ধারণ করলে তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। বাড়ানোর জন্য ২৪ ঘণ্টার কুলিং পিরিয়ড প্রযোজ্য।
প্রতিটি গেমিং সেশনের জন্য সর্বোচ্চ সময় বেঁধে দিন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা আসবে এবং চাইলে সেশন বন্ধ হয়ে যাবে।
১ দিন থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত নিজে থেকে গেমিং বিরতি নিন। এই সময়ে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় থাকলেও গেম খেলা বা ডিপোজিট করা সম্ভব হবে না।
৬ মাস থেকে ৫ বছর বা স্থায়ীভাবে নিজের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সুবিধা। স্ব-বর্জন একবার চালু হলে সেই মেয়াদের আগে পূর্বাবস্থায় ফেরানো যায় না।
নির্দিষ্ট সময়ে সর্বোচ্চ কতটুকু হারতে রাজি আছেন তা আগে থেকে ঠিক করুন। সীমায় পৌঁছানোর পরে আর বাজি ধরা সম্ভব হবে না।
বাজেট বা সময়সীমার কাছাকাছি পৌঁছালে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন পাবেন। এই সতর্কতা আপনাকে সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
l189-এ আমরা চাই আপনার প্রতিটি সেশন হোক মজাদার ও নিয়ন্ত্রিত। এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে গেমিং সবসময় আনন্দের উৎস হয়ে থাকবে।
খেলার আগেই ঠিক করুন কত টাকা ব্যয় করবেন। সেই টাকা যেন আপনার প্রয়োজনীয় খরচ থেকে নেওয়া না হয়।
প্রতিটি গেমে হারার সম্ভাবনা থাকে। হারের পর সেই টাকা ফিরিয়ে আনতে বাড়তি বাজি ধরা সবচেয়ে বড় ভুল।
প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১০ মিনিট বিরতি নিন। উঠে দাঁড়ান, পানি পান করুন, চোখ বিশ্রাম দিন।
মাথা পরিষ্কার না থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে এবং বেশি ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
পরিবারের সাথে সময় কাটান, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, শখের কাজ করুন। গেমিং জীবনের একটি অংশ, সব কিছু নয়।
কতটুকু জিতলে থামবেন সেটাও আগে থেকে ঠিক করুন। জেতার ধারায় থাকলেও সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।
l189-এর সীমা নির্ধারণ ও সতর্কবার্তা টুলস চালু রাখুন। এগুলো আপনার বিরুদ্ধে নয়, আপনার জন্যই তৈরি।
কোনো সমস্যা মনে হলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জানান। সাহায্য চাওয়া সাহসের কাজ, দুর্বলতার নয়।
l189-এ নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক। জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম সনদ যাচাই করে নিশ্চিত করা হয় যে ব্যবহারকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর। সন্দেহজনক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নথি চাওয়া হয়।
কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারলে এবং তা আমাদের নজরে আসলে, সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয় এবং সকল লেনদেন বাতিল করা হয়।
বাড়িতে শিশু বা কিশোর-কিশোরীদের অনলাইন গেমিং থেকে দূরে রাখতে নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে।